Friday , April 20 2018
Home / খেলাধুলা / আশরাফুলের কাছে ভক্তের খোলা চিঠি : উত্তরে যা লিখলেন

আশরাফুলের কাছে ভক্তের খোলা চিঠি : উত্তরে যা লিখলেন

টেস্ট ক্রিকেটে সবচেয়ে কম বয়সে সেঞ্চুরি করার রেকর্ডের অধিকারী হলেন মোহাম্মদ আশরাফুল। তিনি জাতীয় ক্রিকেট দলের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান। শুধু তাই নয়, তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়কও। ব্যাটিংয়ে দক্ষতা ছাড়াও তিনি মাঝে মাঝে ডানহাতে লেগ স্পিন বল করে থাকেন। মাঠে জাদুকরি পারফরম্যান্স করার কারণে ইতোমধ্যে কোটি ভক্তের হৃদয় জয় করে নেন তিনি। এদিকে আশরাফুল নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে এক ভক্তের খোলা চিঠি শেয়ার করেন। এবার দেখা যাক চিঠিতে কী লেখা আছে।

‘প্রিয় আশরাফুল,আশা করি পরিবার পরিজন নিয়ে ব্যক্তি আশরাফুল হিসেবে ভালো আছেন, সব সময় ভালো থাকবেন, এ প্রত্যাশাই করি। কিন্তু ক্রিকেটার আশরাফুল হিসেবে আপনি সত্যিই কি ভালো আছেন? এবং আপনার ভক্ত সমর্থকদের কি ভালো রাখতে পেরেছেন? যে মানুষগুলো আপনাকে নিয়ে ভাবে সব সময়, আপনি তাদের নিয়ে কতটা ভাবেন? তাদের জন্য আপনার করণীয় কি, আর আপনি কি করছেন?’

‘এসব নিয়ে ভাবেন কিনা জানি না, তবে মাঠের ক্রিকেটে আপনার অবস্থা দেখে, আপনার ভক্ত সমর্থকরা ভালো নেই। নিশ্চয়ই আপনিও ভালো নেই এবং বেশ চিন্তিত আপনার খেলা নিয়ে। কি করলে, জাতীয় দলে ফিরতে পারবেন, আর আপনি কি করছেন, তা আপনি নিজেও জানেন এবং সবাই দেখছেন, আশাবাদী হওয়া মানুষগুলোও হাল ছেড়ে দিচ্ছেন আপনার খেলা দেখে। যে মানুষগুলো ২০১৩ সালের ঘটনার পর থেকে প্রতিটি দিনগুণে কখন আপনার নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হবে, সেই মানুষগুলো ঠিক ভালো নেই, আপনার ফিরে আসার লড়াইয়ে ব্যর্থ হতে দেখে।’

‘ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই আপনি বিশ্ব ক্রিকেটে আলোচিত নাম, ২০০০ সাল পরবর্তী বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশের অবস্থানের চেয়েও শতগুণে ভালো ছিলো আপনার ব্যক্তিগত অবস্থান, ২০০৮ সাল পরবর্তীতে সবাই যেমন বাংলাদেশকে সাকিব আল হাসানের দেশ হিসেবে চিনে, ঠিক তেমনি ২০০১ সাল থেকে সবাই বাংলাদেশকে চিনতো আশরাফুলের দেশ হিসেবে।’

‘যে আশরাফুল- অভিষেক টেস্টেই সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে সেঞ্চুরী করেছেন, জিম্বাবুয়ের সাথে প্রথম জয়ে ঝড়ো ইনিংস খেলেছেন, ভারতের মতো দলের সাথে ১৫৮ রানের ইনিংস খেলেছে, প্রথম অস্ট্রেলিয়া বধে সেঞ্চুরী করে, আফ্রিকা বধে যিনি নায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন, প্রথম উইন্ডিজ বধে ব্যাট হাতে তান্ডব চালিয়েছেন, প্রথম শ্রীলংকা, নিউজিল্যান্ড বধে ব্যাট হাতে ফিফটিউর্ধ্ব ইনিংস খেলেছেন, আরো কিছু ছোট দলের সাথে জয়ের ম্যাচে যার ব্যাট হেসেছে, যে আশরাফুল শ্রীলংকার মতো বোলিং শক্তিশালী দেশের হয়েই টেস্ট ক্যারিয়ারের ৫টি সেঞ্চুরী ও ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ এভারেজে ব্যাট করেছে।’

‘দলের প্রয়োজনে যে আশরাফুল তিন ফরম্যাটেই অবস্থা বুঝে ব্যাট করেছেন, ২০০৭ সালের মধ্যেই যে আশরাফুল তিনফরম্যাটে বাংলাদেশের হয়ে দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড গড়েছেন, যা আজও স্বগৌরবে টিকে আছে, ২০১৩ সালে যে আশরাফুল শ্রীলংকার সাথে ১৯০ রানের মহাকাব্যিক ইনিংস খেলেছেন। সে আশরাফুলের কেন আজ এ অবস্থা।’

‘আপনি ধারাবাহিক নন, এটাই আপনার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা। তবে আপনি দেশকে অনেক হাসিয়েছেন দেশের ক্রিকেটের করুণ মুহুর্তে, বাংলাদেশের বর্তমান দলের সব ক্রিকেটার আপনার ব্যাটিং শ্রেষ্ঠত্ব মেনে নেয়, আপনার নান্দনিক শর্টসগুলো এখনো কোনো বাংলাদেশী খেলতে পারেন না, তাই স্বাভাবিক ভাবে, বর্তমান সময়ের সেরা ব্যাটসম্যান তামিম ইকবালরাও মেনে নেয়, বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে প্রতিভাবান ব্যাটসম্যান আপনিই, আর কেউ নয়। আপনার এ্যাশস্কোপ সহ আরো কিছু শর্টস এখনো চোখে লেগে থাকে সবার।’

‘২০০৫ সালে অস্ট্রেলিয়া বধে আপনার সেঞ্চুরী দেখার পরবর্তী সময়ে এক অজি সাবেক কিংবদন্তী ক্রিকেটার ভবিষ্যতে বিশ্ব কাঁপাবেন এমন ১০ জন ক্রিকেটারের নাম প্রকাশ করেছিলো, যেখানে আপনিও ছিলেন, তাদের সবাই নিজেদেরকে সেরা অবস্থানে নিয়ে গেছেন, ব্যর্থ হয়েছেন শুধু আপনি।’

‘আপনার ক্রিকেট ক্যারিয়ারের সেরা সময় ২০১০ সালের মধ্যেই। সে হিসেবে বর্তমান সময়ে যারা ১৫/১৬ বছরের কিশোর, তারা আপনার ভক্ত হওয়ার কথা নয়, তবে আপনি নিজেও হয়তো জানেন না, আপনার খেলা সরাসরি দেখে নয়, হাইলাইটস দেখেই আপনার লাখো লাখো ভক্ত তৈরী হয়েছে ২০১০ সাল পরবর্তীতেও, যারা এখনো আশায় বুক বেধে আছে, আপনি ফিরবেন আবারো।’

‘আপনি ২০০৬ সালেও দল থেকে বাদ পড়েছিলেন, তবে ঘরোয়া ক্রিকেটে সম্ভবত ডাবল সেঞ্চুরী করে ফিরেছিলেন, ২০০৭ সালের বিশ্বকাপের পূর্বেও আপনার তেমন ফর্ম ছিলো না, কিন্তু আপনি ২০০৭ সালের ২টি বিশ্বকাপে কি করেছেন, তা দেখেছে সারা বিশ্ব। বাংলাদেশে সম্ভবত আপনিই একমাত্র ক্রিকেটার, যার ব্যাটিং নৈপুণ্যে অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকার মতো দলগুলোকে হারানোর দিনে একযোগে সারা দেশবাসী উৎসবে মেতেছেন, আশরাফুল ভক্তরা এবং আপনার শুভাকাঙ্খিরা এখনো বিশ্বাস করে একটি কার্ডিফ জয়ের আনন্দ আবার পেতে হলে, বাংলাদেশকে একটি বিশ্বকাপ জিততে হবে, এছাড়া এমন আনন্দ, উৎসব এ দেশে আর সম্ভব নয়।’

‘২০১১ সালের বিশ্বকাপেও আপনার জায়গা পাওয়া নিয়ে সংশয় ছিলো, তবে ঘরের মাঠ এবং অভিজ্ঞতা বিবেচনাতেই আপনি সুযোগ পান, দুর্বল আইরিশদের সাথে যখন হারার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল, আপনিই বল হাতে ২ উইকেট শিকার করে দলকে জয়ী করেছিলেন, আপনার সেই নাচার দৃশ্য, আজও বাংলাদেশ ক্রিকেটের সেরা মুহুর্তের মধ্যে একটি। আপনি বারবার ফিরে এসেছেন, তাই ২০১৩ সালের ঘটনার পরও ফিরবেন এ আশা সবার মাঝে।’

‘আপনি নিজে যতটা না হতাশ হয়েছেন, তার চেয়েও বেশি হতাশ হয়েছেন আপনার ভক্ত সমর্থকরা। আপনি জানেন কিনা কিংবা ভাবেন কিনা জানিনা, পৃথিবীতে সম্ভবত যেকোন ক্রীড়াবিদের মধ্যে আপনার সমর্থকরাই সবচেয়ে বেশি চিন্তিত কিংবা কষ্ট পেয়েছেন এবং এখনো পাচ্ছে, আপনার সমর্থন করাই সমর্থকের জায়গা থেকে পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজ। মানে আপনি যেভাবে এক ম্যাচে ভালো করে পরের কয়েক ম্যাচে হারিয়ে যান, এই পরিস্থিতিতে আপনার সমর্থকরা মানুষের কটুক্তি কিংবা ভালো থেকে বঞ্চিত হওয়া সহ সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতিতে পড়তে হয়।’

‘২০১৩ সালের ঘটনার পর আপনি যতটানা কঠিন পরিস্থিতিতে পড়েছেন, তার চেয়েও বেশি কঠিন পরিস্থিতি ছিলো আপনার ভক্ত সমর্থকদের জন্য। ইতিমধ্যে প্রাথমিক নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফিরেছেন ২০১৬ সালেই। কিন্তু এর পর আপনি পূর্বের মতোই ধারাবাহিকহীনতায় ভুগছেন। ঢাকা প্রিমিয়ার লীগ ২০১৭ তে ধারাবাহিক খারাপ খেলার পর শেষের দিকে একটি ম্যাচ জয়ী ও আরেকটি ফিফটি করেছেন।’

‘তবে সেবার সব মিলিয়ে আপনার ব্যাটিং সেরা ব্যাটিংয়ের অংশ ছিলো না, চারদিনে ম্যাচেও সেঞ্চুরী করেছেন চট্টগ্রামে, একজন ক্রীড়া প্রতিবেদক হিসেবে, তার চেয়েও বড় কথা, আপনার একজন সমর্থক হিসেবে চট্টগ্রামে মাঠে উপস্থিত থেকে আপনার সেঞ্চুরী দেখেছি, যতটা খুশি ও তৃপ্ত হয়েছি, এভাবে কোনো কিছুতেই হইনি। সেখানেও আপনি ধারাবাহিক হতে পারেননি।’

‘২০১৩ সাল পরবর্তী প্রতিটি আশরাফুল ভক্তই নিজেদের ব্যক্তিগত জীবনের বাহিরে আপনার হেটার এবং বিরোধীদের সাথে লড়াই করে আসছেন, হেটাররা যে আপনার এভারেজ ভালো না, ধারাবাহিক না, আপনি ফিক্সার এসব নিয়েই ব্যস্ত, ওরা তো আর আপনার দিনে আপনি কতটা ভয়ংকর এবং দেশকে কতটুকু দিয়েছেন সেসব দেখেননি, দেখে আপনার ফাঁদে পড়ে ম্যাচ পাতানোর ঘটনা, ২০০৮ সালে যখন হাবিবুল বাশার ভাইয়ের নেতৃত্বে ১৪ জন ক্রিকেটার দেশের ক্রিকেটকে সংকটে ফেলে ভারতে পাড়ি জমিয়েছিলেন, সে সময়ে আপনি জাননি, থেকে গেছেন দেশের হয়ে খেলার জন্যই, হেটাররাতো আর এসবের খবর রাখেন না, জানেও না। তাই আপনার সমর্থকদের প্রতিদিনই যুদ্ধ করতে হয় তাদের বিরুদ্ধে।’

‘এতোসব হতাশা, ঝামেলার মাঝেও আপনি যে ম্যাচ খেলেন, সে ম্যাচের দিকে তাকিয়ে থাকে সবাই, কিন্তু আপনি নিরাশ করেন বারবার, চলতি লীগে একটি সেঞ্চুরী করেছেন, কিন্তু অপর সবগুলো ইনিংসে, ২৫ রানের ইনিংস বাদে, আপনি চরম ব্যর্থ। ভিরাট কোহলীরা যেখানে মাঠে নামলেই সেঞ্চুরী করে ওঠে, রান করা তাদের জন্য পৃথিবীর সবচেয়ে সহজ কাজ মনে হয়, বিপরীতে রান করা কত কঠিন, তা আপনাকে না দেখলে বুঝাই যায় না। মনে কষ্ট নিয়েই বলতে হচ্ছে কথাগুলো।’

‘আপনি হয়তো নিজেই জানেন, আপনার একটা ভালো ইনিংস নিয়ে দেশে কতটা তোলপাড় হয়, আপনি আর জাতীয় দলে ফিরতে পারবেন না, এমনটা বলার বহু মানুষ থাকলেও অনেকেই এখনো বিশ্বাস করে, আপনি একটু লীগ ধারাবাহিক রান করলে জাতীয় দলে আপনি ফিরবেনই। পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ও পরে মিলিয়ে ১০০০ রান করেন, জাতীয় দলে ফেরা আপনার জন্য সময়ের ব্যাপার হবে মাত্র। কেননা জাতীয় দলে এখনো আপনার পজিশনে দীর্ঘ ৫ বছরেও কেউ নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেননি। আপনার বিকল্প এখনো হয়নি তিনফরম্যাটে।’

‘চলতি ঢাকা লীগে একটি সেঞ্চুরী করার পরই ভেবেছিলাম আপনি হয়তো এবার ভালো কিছু করবেন, কিন্তু আপনার রান না করতে পারা দেখে, হতাশ হওয়া ছাড়া কিছুই করার নেই। আপনারও হতাশা আছে, তবে আপনার ভক্তদের হতাশা অনেক বেশি, কেননা তারা স্বপ্ন দেখছেন নিষেধাজ্ঞা শেষেই আপনি জাতীয় দলে ফিরবেন স্বগৌরবে, কিন্তু আপনার ব্যর্থতার কারণে দিশেহারা আপনার ভক্তরা। আপনি কি তাদের কথা ভাবেন? কিভাবে পারফর্ম করে দলে ফিরতে হবে সে চেষ্টা করেন বা করছেন? আপনার খেলাতে কিন্তু তা মনে হয় না, একেবারেই না। এভাবে চলতে থাকলে জাতীয় দল কেনো কাঙ্খিত বিপিএলেও দল পেতে কষ্ট হবে আপনার।’

‘আপনার ক্যারিয়ারের শুরু থেকে আজ অবধি আপনার ভক্তরা আপনার পাশে থেকেছেন, যারা আপনার খেলা সরাসরি না দেখেও শুধুমাত্র হাইলাইটস দেখে এবং আপনার পুরনো সাফল্যের কথা শুনে আপনার ফ্যান হয়েছে, তারাও আশায় বুক বেধে আছে আপনি আবারো ফিরবেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে, তাদেরকে আপনি নিরাশ করবেন না। একজন ক্রিকেটার হওয়ার পর গাড়ী বাড়ী, সম্মান, পরিবার, ভক্তদের ভালোবাসা সব পেয়েছেন আপনি, এবার দেবার পালা, ভক্তদের কিছু দিতে চেষ্টা করুন, আপনার কাছ থেকে কেউ টাকা পয়সা কিংবা আপনার সাথে দেখা করা, সেলফি তোলতেও কেউ চায় না, চায় আপনি পারফর্ম করুন, জাতীয় দলে ফিরুন।’

‘এতো সব ঘটনার পরও এতো ভক্ত কোথায় পাবেন, কেউ পেয়েছেন কোনোদিন? কিন্তু আপনি পেয়েছেন, ৫টি বছর কঠিন সময়েও কেউ আপনাকে ভুলে যায়নি, আশায় বুক বেধে আছে সবাই, তাদেরকে নিরাশ করবেন না। আপনি কেন পারছেন না, তা কেউ না জানলেও আপনি নিশ্চয়ই জানেন, কোথায় ঘাটতি আছে, কি করতে হবে, এসব আপনাকেই ভাবতে হবে, করতে হবে, কেউ করে দেবেন না।’

‘আপনার পেছনে দোয়া, সমর্থন ও ভালোবাসা থাকবে পরিবারের ও আপনার ভক্ত সমর্থকদের। অনুরোধ আপনার কাছে, তাদের নিরাশ করবেন না, তারা এখনো মনে করে বাংলাদেশ ক্রিকেটকে আপনার এখনো অনেক কিছু দেয়ার আছে, আপনি বারবার ফিরে এসেছেন দূর্দান্ত ভাবে, প্লিজ, শেষ বারের মতো ফিরে আসুন আরেকবার। আপনার ফিরে আসার মুহুর্তটি দেখার জন্য অধির আগ্রহ নিয়ে বসে আছে আপনার কোটি কোটি ভক্ত।’

ভক্তের উপরোক্ত চিঠির উত্তরে আশারাফু লিখেছেন, ‘আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি আপনাদের জন্য ফিরে আসার সবাই দোয়া করবেন। সবাইকে ধন্যবাদ।’

Check Also

সানরাইজার্স হায়দরাবাদের নেতৃত্ব দেবেন সাকিব আল হাসান!

স্মিথ রাজস্থান রয়্যালসের নেতৃত্ব ছেড়ে দিলেও ডেভিড ওয়ার্নারের বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *