Friday , May 25 2018
Home / জীবনযাপন / নারীদের ১০ টি বদ অভ্যাস যা পুরুষদের নিকট অপছন্দনীয় ও বিরক্তির কারন!

নারীদের ১০ টি বদ অভ্যাস যা পুরুষদের নিকট অপছন্দনীয় ও বিরক্তির কারন!

নারী পুরুষ উভয়ের কিছু বদ গুন আছে যা উভয়ের বিরক্তির কারন। নারীদের ভিতরে এমন কিছু বদ গুন আছে যা দাম্পত্য সম্পর্ক অবনতির দিকে নিয়ে যায়।

নারীরা জেনে নিন আপনাদের এমন কিছু বদ গুনের কথা যা পুরুষদের নিকট অপছন্দের ও বিরক্তির কারণ। এই ১০ টি বদ অভ্যাস দূর করে পুরুষদের নিকট প্রিয় হয়ে উঠুন।

মেয়েদের বদ অভ্যাস সমূহ

০১. ওজন নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা ফিকির : স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতন হওয়া ভালো বটে কিন্তু অতিরিক্ত কোনো কিছু ভালো না। অনেক নারীকে দেখা যায় স্বাস্থ্য সচেতন হতে গিয়ে বারে বারে আয়নায় নিজের চেহারা দেখা, মোটা হয়ে যাচ্ছি, বাজে লাগছে দেখতে চিন্তায় ভোগেন। এসব অভ্যাস পুরুষ মোটেও পছন্দ করে না।

০২. ফিসফিস করে কথা বলা : কানে কানে ফিস ফিস করে কথা বলা নারীর আরেক বৈশিষ্ট্য। বেশির ভাগ নারী মজার কথা শোনার পর শেয়ার করা জন্য অপেক্ষা করতে পারে না বিধায় সকলের সামনে ফিস ফিস করে বলতে শুরু করে। এটা কিন্তু সত্যিকার্থেই বদ্যাভাস। পুরুষেরা কিন্তু এতে বিরক্ত হন বটে।

০৩. ঘ্যানর ঘ্যানর করা : এটি শুধু নারী বরং প্রায় সকলের মাঝেই দেখা যায়। একই বিষয় নিয়ে বক-বক করতেই থাকে। এটি নারী পুরুষ উভয়ের কাছেই অপ্রিয় ও বিরক্তির কারণ।

০৪. কথা না বলে চুপ থাকা : সাধারণত নারীরা রেগে গেলে কিংবা অভিমান করলে অনেক সময় চুপ থাকে। খোলাখুলি ভাবে কথা বলে যে সমস্যা মেটানো যায়, জেদ ধরে বসে থাকলে সেই সমস্যাই অনেক বেড়ে যায়। এতে পুরুষরা যেমন বিরক্তি হয় তেমনি ভাবে স্বামী স্ত্রীর সম্পর্কে অবনিতি ঘটে।

০৫. অতরিক্ত অধিকার প্রয়োগ করা : এটি শুধু নারীদের ক্ষেত্রে নয় পুরুষদের ক্ষেত্রেও বিদ্যমান। নারী পুরুষের অতিরিক্ত অধিকার আরোপ করা সঙ্গিনীর জন্য দম বন্ধকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে।

০৬. বেশি কথা বলা : আপনি যদি বেশি কথা বলেন তাহলে অতিসত্ত্বে তা কমিয়ে ফেলুন। অতিরিক্ত কথা বললে আশে-পাশে মানুষ যেমন বিরক্ত হয় তেমনিভাবে নিজের মানসিক শান্তিও নষ্ট হয়।

০৭. অতিরিক্ত সাজসজ্জা : নিজেকে অধিক সুন্দর দেখা গিয়ে অনেক নারী অধিক অঙ্গসজ্জা করে ফেলেন। যার ফলে নিজের আসল সৌন্দর্য্য ঢাকা পরে যায়। যাদের কাছে আপনি প্রিয় এবং যারা আপনাকে ভালোবাসে তাঁদের নিকট আপনি সব সময়ই সুন্দর। যারা আপনাকে ভালোবাসে না তাদেরকে জন্য মহাসুন্দরিও হয়েও কোন লাভ নেই।

০৮. কথা চেপে রাখার প্রবণতা : কোন ভুল করে ফেললে অধিকাংশ নারী তা চেপে রাখতে চেষ্টা করেন। সঙ্গিনী নিজ থেকে বুঝে যাবে বলে মনে করে সমস্যার কথা খুলে বলেন না। এতে স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক খারাপ হয়ে যায়। কাউকে সব সময় বুঝে নেওয়া সম্ভব নয়। তাই মনের কথা খুলে বলুন। দেখবেন একে অপরের প্রতি নির্ভরতা, বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়বে।

০৯. অন্যের সাথে তুলনা করা : অনেক নারীর মধ্যে নিজের সৌন্দর্য্য নিয়ে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস, অথবা তিনি ততটা সুন্দর নয় যেমনটা তিনি চেয়েছেন এমন হীনমন্যতা গড়ে ওঠে। ফলশ্রুতিতে তাঁরা অন্য নারীর সঙ্গে নিজেকে তুলনা করে বসে। এমনটি পুরুষদের কাছে অপ্রিয় ও খুবই বিরক্তিকর বিষয়। কেননা, আপনি তার কাছে সুন্দর বলেই আপনাকে বিয়ে করেছেন।এসব বলে নিজেকে ছোট করা ভালো নয়।

১০. পরচর্চা : অন্যে কি করেছে না করেছে সেসব বিষয়াদি অনেক নারী পুরুষদের নিকট ইনিয়ে-বিনিয়ে বলতে শুরু। এটাও একটি বদ-অভ্যাস। এসব পরত্যাগ করাই ভালো।

Check Also

বাড়তি আয়ের জন্য যে কাজগুলো করতে পারেন

নির্ধারিত চাকরির পাশাপাশি অন্য কিছু করে বাড়তি আয়কেই পার্টটাইম জব বলে থাকে অনেকেই। এই ধরনের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *