Friday , May 25 2018
Home / রেসিপি / ‘কাশ্মিরি চা’ যেভাবে বানাবেন

‘কাশ্মিরি চা’ যেভাবে বানাবেন

কাশ্মির কেবল প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণেই বিখ্যাত নয়। তুষার আচ্ছাদিত পাহাড় পর্বত, নীল নদী আর আলাদা সংস্কৃতির বাইরেও অনেক কিছুই রয়েছে সেখানে। সেখানকার হরেক রকমের খাবারের স্বাদ অনেকেরই জিভে লেগে আছে।

সেগুলোর মধ্যে অন্যতম কাশ্মিরি চা। সেই চা বিখ্যাত হওয়ার অন্যতম কারণ হলো, এর উপাদান একেবারেই আলাদা। সবুজ চা থেকে কাশ্মিরি চা বানানো হয় এবং তা মজাদারও। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান ও চীনে সবুজ চা পাওয়া যায়।

কিন্তু কেবল চা খাওয়ার জন্য তো কাশ্মিরে ছুটে যাওয়াটা সময় সাপেক্ষ এবং ব্যয়বহুল ব্যাপার। যদি ঘরে বসেই কাশ্মিরি চা বানিয়ে খাওয়া যায়, তাহলে তো মন্দ হয় না।

কাশ্মিরি চা অন্যদের অনুকরণে বানানো হয় না। বরং বহু বছর ধরে নিজেরা ওই ধরনের চা বানিয়ে খান কাশ্মিরের বাসিন্দারা। যেসব পর্যটক সেখানে একবার গেছেন, পরের বার গেলেই সেই চা পানে উদগ্রীব হয়ে ওঠেন।

কাশ্মিরি চায়ের বিশেষত্ব হলো, তা লবণাক্ত। চিনির বদলে সেই চায়ে লবণ দেওয়া হয়। অবশ্য বাড়িতে বসে বানিয়ে খেলে, আপনি চাইলে পরিমাণ  মতো চিনি দিতে পারেন।

বিশেষ কোনো অনুষ্ঠানে কাশ্মিরি চা সরবরাহ করা হলে, অল্প পরিমাণে চিনি এবং বাদামের গুঁড়া দেওয়া হয়ে থাকে। আপনি চাইলে বিভিন্ন ধরনের মশলাও দিয়ে নিতে পারেন। ইদানীং অনেকেই জাফরান দিয়ে কাশ্মিরি চা খাচ্ছেন। চা বিক্রেতার কাছে আলাদা আলাদা দামে বিভিন্ন কোয়ালিটির সেই চা কিনতে পাওয়া যায়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কাশ্মিরি চা শরীরের জন্য বেশ উপকারী। এমনকি যারা গ্রিন টি খান শরীরের মেদ ঝরানোর জন্য, তাদের জন্যও কাজে দেবে। ওই চা খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকবে, স্ট্রোক এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিও কমবে। প্রশমিত হবে উত্তেজনা।

কাশ্মিরি চা বানাতে যা লাগবে :

প্রথমেই ফুটন্ত গরম পানি, লবণ, সবুজ চা, বাদামের গুঁড়া, চিনি পরিমাণ মতো (আপনার ইচ্ছাধীন), মশলা, জাফরান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *